আশাশুনিতে ল্যান্ড সার্ভে ট্রাইব্যুনালের দেওয়া রায় স্থগিত করলো হাইকোর্ট

কর্তৃক ferozsatkhira
০ মন্তব্য 51 ভিউজ

সাতক্ষীরা প্রতিনিধি: সাতক্ষীরার আশাশুনির গোদাড়া মৌজার নালিশী আর,এস ৫৯৫ ও ৩৩৩নং খতিয়ানের রেকর্ড ভ্রমাত্মক ঘোষণা করে সাতক্ষীরা ল্যান্ড সার্ভে ট্রাইব্যুনালের দেওয়া রায় স্থগিত করেছে হাইকোর্ট। গত ২৯ আগস্ট হাইকোর্ট রায়টি স্থগিত করেছে।

জানা গেছে, সাতক্ষীরার আশাশুনি উপজেলার উত্তর গোদাড়া গ্রামের মৃত মনতাজ আলী পাড়ের ছেলে মোঃ সাইফুল্লাহ পাড় বাদী হয়ে সাতক্ষীরা ল্যান্ড সার্ভে ট্রাইব্যুনালে একই গ্রামের মৃত সুলাইমান সরদারের ছেলে রুহুল আমিন সরদারকে ৮নং বিবাদী করে ১০১৫/২০১৭ নং মামলা করে।
গত ২৬ জুন ২০২২ তারিখে সাতক্ষীরা ল্যান্ড সার্ভে ট্রাইব্যুনালের দেওয়া উল্লিখিত মামলার রায়ে বলা হয়, আশাশুনি থানার গোদাড়া মৌজার নালিশী আর, এস ৫৯৫ ও ৩৩৩ নং খতিয়ানের রেকর্ড ভ্রমাত্মক ঘোষণা করা হলো। আর, এস ৩৩৩ খতিয়ানের মালিকের নাম ও ঠিকানা কর্তন করে তদস্থলে বাদীগণের নাম ও ঠিকানা সন্নিবেশন করে এবং আর, এস ৫৯৫ নং খতিয়ান হতে ২২২৯ দাগ হতে ১৭ শতক জমি বাদীগণের নামে রেকর্ড প্রদান করে খতিয়ান সংশোধনের জন্য ৬ ও ৭ নং বিবাদীকে নির্দেশ দেওয়া হল। আদেশের অনুলিপি ৬ ও ৭ নং বিবাদী বরাবর প্রেরণ করা হোক।

এ রায় চ্যালেঞ্জ করে ৮ নম্বর বিবাদী রুহুল আমিন সরদার হাইকোর্টের রিট করেন। যার পরিপ্রেক্ষিতে ২৯ আগস্ট হাইকোর্ট সাতক্ষীরা ল্যান্ড সার্ভে ট্রাইব্যুনালের দেওয়া উল্লিখিত রায়ের উপর স্থগিতাদেশ দেয়।

এ বিষয়ে রুহুল আমিন সরদার বলেন, ১২ বছর আগে উত্তর গোদাড়া গ্রামের মৃত এনতাজ আলী পাড়ের ছেলে রফিকুল ইসলাম পাড়ের নিকট হতে এসএ খতিয়ান, প্রিন্ট পর্চা ও মিউটিশন দেখে ১ একর ৪৫ শতক জমি আমি ক্রয় করি। পরবর্তীতে ওই জমির মিউটেশন আমার নামে করি এবং গত ১৪২৮ বাংলা সাল পর্যন্ত আমি খাজনা পরিশোধ করি। হঠাৎ সাইফুল্লাহ দিং বাদী হয়ে ল্যান্ড সার্ভে ট্রাইব্যুনালে আমার নামে মামলা দায়ের করে। এ মামলার রায়ের বিরুদ্ধে আমি হাইকোর্টে রিট করলে হাইকোর্ট ল্যান্ড সার্ভে ট্রাইব্যুনালের রায় স্থগিত করে আদেশ দিয়েছে।

সম্পর্কিত পোস্ট

মতামত দিন