মোঃ আকবর হোসেন, তালাঃ
সাতক্ষীরা তালার জেঠুয়া জাগরনী মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষককে লাঞ্চিতের ঘটনায় প্রতিবাদসহ দ্রুত ম্যানেজিং কমিটির নির্বাচনের দাবীতে সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে।
গত বৃহস্পতিবার(৩ মার্চ )বিকাল ৫টায় তালা ডাক বাংলায় উক্ত সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়৷ সংবাদ সম্মেলন করেন, তালা সরকারী কলেজের সহকারী অধ্যাপক ও জাগরণী মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সাবেক সভাপতি এস কে কামরুল ইসলাম।
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে অধ্যাপক এস কে কামরুল ইসলাম বলেন, তালার জেঠুয়া জাগরণী মাধ্যমিক বিদ্যালয়টি ১৯৬৪ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়। আমার পিতা মৃত শেখ আব্দুল মালেক প্রতিষ্ঠাতা হিসাবে একাধীকবার সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন। আমিও নিষ্টার সহিত একাধীকবার সভাপতির দায়িত্ব পালন করেছি। উক্ত বিদ্যালয়ের ম্যানিজিং কমিটির মেয়াদ শেষ হওয়ায়, পুনরায় সভাপতি নির্বাচনের জন্য বিগত ২৮ ফেব্রুয়ারী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার অফিসে বিকাল ৪ টায় নির্ধারিত সময়ে, সংশ্লিষ্ঠ বিদ্যালয়ের
প্রধান শিক্ষক, ২ সভাপতি প্রার্থী, উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা, সংশ্লিষ্ঠ ভোটার, সাংবাদিকসহ অনেকেই উপস্হিত হন, এ সময় অপর সভাপতি প্রার্থী ইন্দ্রোজিত দাস বাপী উপস্থিত সকলের সামনে প্রধান শিক্ষক হাফিজুল ইসলামকে আক্রামান্তক ও নোংরা ভাষায় মারতে উদ্যত হন। আমি কেন ঘন ঘন স্কুলে যাই তার কৈফিয়ত চেয়ে হুমকী দেন এ সভাপতি প্রার্থী । মাধ্যমিক কর্মকর্তা শুরুতে নির্দেশ দেন, ভোটের সময় প্রার্থী অথবা তার এজেন্ট রুমে থাকতে পারবেন, পরবর্তীতে তিনি অপর প্রার্থীর সুরে সুর মিলিয়ে প্রার্থী থাকতে পারবেন না বলে মত প্রকাশ করেন ৷ হুমকি ও মারধোর চাওয়ার বিষয়টি
তালা উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা আতিয়ার রহমান এর সামনে ঘটলেও তিনি নিরব ভুমিকা পালন করেন ৷ এ সময় তিনি নির্বাচন স্থগিত করার আদেশ দেন, বিষয়টি বিষয়টি রহস্যজনক মনে হয়েছে৷

অধ্যাপক এস কে কামরুল ইসলাম আরও বলেন, মাত্র ৯টি ভোটারের ভোট অল্প সময়ের মধ্যে গ্রহন করা সম্ভব হলেও, শিক্ষা কর্মকর্তার ভূমিকা রহস্যজনক ও হতাশাব্যঞ্চক ৷
সাংবাদিক ভায়েরা, শিক্ষা কর্মকর্তা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার উদ্বৃতি দিয়ে নির্বাচন স্থগিত করলেও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জানালেন আমি নির্বাচন স্থগিত করতে বলিনি, এটা শিক্ষা অফিসারের বিষয়। একজন সভাপতি প্রার্থী কর্তৃক প্রধান শিক্ষককে মারধরে উদ্যত হওয়ার ঘটনায় কয়েকটি পত্রিকায় প্রকাশিত হলেও শিক্ষা কর্মকর্তা কোন পদক্ষেপ গ্রহন করেননি।
সাংবাদিক ভায়েরা, আমার বিশ্বাস পরাজয়ের আশংকায় নির্বাচন বানচালের উদ্দেশ্যে সভাপতি প্রার্থী ইন্দ্রোজিত দাস বাপী এই ঘটনা ঘটিয়েছে। তিনি সভাপতি প্রার্থী ইন্দ্রোজিত দাস বাপীর এহেন বে-আইনি, ও অভদ্রজনিত আচরণ ও সন্ত্রাসী কর্মকান্ডের প্রতিবাদ সহ সুষ্ঠভাবে দ্রুত ম্যানেজিং কমিটির নির্বাচন করার জন্য সংশ্লিষ্ঠ কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেন ৷

সম্পর্কিত পোস্ট

মতামত দিন