ষষ্ঠ শ্রেণীর পাঠ্য পুস্তকে শিক্ষার্থীদের ঈমানহারার ব্যবস্থা করা হয়েছে- মানববন্ধনে জমিয়াতুল মোদার্রেছিন নেতৃবৃন্দ

কর্তৃক ferozsatkhira
০ মন্তব্য 372 ভিউজ

স্টাফ রিপোর্টার: ২০২৩ সাল মাদ্রাসার ৬ষ্ট শ্রেণীর যে ৯ টি বইয়ে ২০২৩ সাল থেকে বাধ্যতামূলক করা হয়েছে তা মাদরাসা শিক্ষার জাতীয় লক্ষ উদ্দেশ্য ও স্বতন্ত্র বৈষম্য উপেক্ষা করা হয়েছে। এসব পাঠ্য পুস্তককে অধিকাংশ ছবি, চিত্র, শব্দ,বাক্য,তথ্য ও উপাত্ত ধর্মপ্রাণ মুসলমানদের মর্মাহত এবং তাদের সন্তানদের ভবিষ্যৎ শিক্ষা নিয়ে সঙ্কিত করে তুলবে।

এছাড়া বিজ্ঞান বইয়ে ১১ জন উলঙ্গ নারী পুরুষের ছবি দিয়ে তাদের লজ্জাস্থানের পরিচয় দেওয়া হয়েছে। ছেলেমেয়েদের বিভিন্ন অঙ্গের বর্ণনা দিয়ে ষষ্ঠ শ্রেণীর শিক্ষার্থীদের ঈমানহারার ব্যবস্থা করা হয়েছে। এছাড়া নয়টি বইয়ে শত শত মেয়ের বেপর্দা ছবি ছাপানো হয়েছে। ইংরেজি বইয়ে কুকুর ও নেকড়ে বাঘের ২৪ টি ছবি ছাপানো হয়েছে, যা ইউরোপীয় সংস্কৃতির অংশবিশেষ বলে এসব বন্ধ করতে হবে সোমবার ১৪ নভেম্বর সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের সামনে বাংলাদেশ জমিয়াতুল মোদার্রেছিন সাতক্ষীরা জেলা শাখা আয়োজিত মানববন্ধনে বক্তারা এসব কথা বলেন। মানবন্ধনে বেসরকারি সকল স্তরের শিক্ষক-কর্মচারীদের চাকরি জাতীয়করণসহ বক্তারা ১৩ দফা দাবি উপস্থাপন করেন। এসময় তারা আরো বলেন,ইতিহাস ও সামাজিক বিজ্ঞান বইয়ে মানব সৃষ্টি হয়েছে বানর থেকে যা ডার ইউনের বিবর্তনবাদ, এছাড়া দেব দেবীর নগ্ন ও অর্ধ নগ্ন ছিব ছাপানো হয়েছে। এবং জীবন জীবিকা বইয়ে শিক্ষার্থীদের পাশ্চাত্য ও মূতিপূজার সংস্কৃতি চর্চার প্রতি আগ্র সৃষ্টির ব্যবস্থা করা হয়েছে। যা একটি মুসলিম দেশে সত্যিই আপত্তিকর। উল্লেখিত বিষয়গুলো মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর সকল অর্জনকে স্লান করে দিবে। যে কারনে অবিলম্বে এসব পাঠ্য পুস্তক সংস্কার করতে হবে।

জমিয়াতুল মোদার্রেছিন এর জেলা সভাপতি এ,এ, এম ওজায়েরুল ইসলামের সভাপতিত্ব মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন, জেলা কমিটির সিনিয়র সহ-সভাপতি ডক্টর আবুল হাসান, সাধারণ সম্পাদক মোঃ আলতাফ হোসেন প্রমুখ। সমগ্র অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করেন সাতক্ষীরা সদর উপজেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক মোঃ জালাল উদ্দিনের।

সম্পর্কিত পোস্ট

মতামত দিন