সাতক্ষীরায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার গাড়ি বহরে হামলার মামলায় সরদার মুজিবসহ দুই জনের সাক্ষ্যগ্রহন

কর্তৃক ferozsatkhira
০ মন্তব্য 37 ভিউজ

সাতক্ষীরা প্রতিনিধি ঃ সাতক্ষীরার কলারোয়ায় সাবেক বিরোধী দলীয় নেত্রী ও বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার গাড়ি বহরে হামলার ঘটনায় অস্ত্র ও বিষ্ফোরক দ্রব্য আইনের দু’টি মামলায় সাক্ষ্য গ্রহণের ৯ম দিনে সাক্ষ্য দিয়েছেন জেলা আওয়ামী লীগের কৃষি বিষয়ক সম্পাদক সরদার মুজিব ও সাংবাদিক কালিদাস রায়। এনিয়ে এ মামলায় আজ পর্যন্ত মোট ১৩ জন সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহন করেছে আদালত। আগামী ৩১ অক্টোবর সাক্ষ্যগ্রহণের পরবর্তী দিন ধার্য্য করা হয়েছে।
মঙ্গলবার সকাল সোয়া ৯টায় সাতক্ষীরার স্পেশাল ট্রাইব্যুনাল-৩ এর বিচারক বিশ্বনাথ মন্ডলের আদালতে এ সাক্ষ্য গ্রহণ শুরু হয়। এর আগে সাতক্ষীরা জেলা কারাগার থেকে বিএনপির সাবেক সংসদ সদস্য হাবিবুল ইসলাম হাবিবসহ ৩৯ জন আসামীকে আদালতের কাঠগোড়ায় হাজির করানো হয়। দুপুর পৌনে ১২ টায় সাক্ষ্য গ্রহণ শেষে অস্ত্র ও বিষ্ফোরক দ্রব্য আইনের দুটি মামলার সাক্ষ্য গ্রহণ পর্ব একসাথে চলা সংক্রান্ত আসামীপক্ষের আনীত দরখাস্তের শুনানী হয়। এতে উভয়পক্ষ যুক্ততর্ক উপস্থাপন করেন।
রাষ্ট্রপক্ষে মামলাটি পরিচালনা করেন, সাতক্ষীরা জজ কোর্টের পিপি অ্যাড. আব্দুল লতিফ। এ সময় তাকে সহায়তা করেন, সুপ্রীম কোর্টের সহ-সভাপতি অ্যাড. মোহাম্মদ হোসেন, জিপি অ্যাড. শম্ভুনাথ সিংহ, অতিরিক্ত পিপি অ্যাড. ওকালত হোসেন, অতিরিক্ত পিপি অ্যাড. ফাহিমুল হক কিসলু, অ্যাড. আব্দুল বারী, অ্যাড. আব্দুস সামাদ প্রমুখ।
অপরদিকে, আসামীপক্ষে মামলাটি পরিচালনা করেন, সাতক্ষীরার অ্যাড. আব্দুল মজিদ (২), অ্যাড. মিজানুর রহমান পিন্টু, অ্যাড. কামরুজ্জামামান ভুট্টো প্রমুখ।
প্রসঙ্গত ঃ ২০০২ সালের ৩০ আগষ্ট সকাল ১০টায় তৎকালিন বিরোধী দলীয় নেত্রী বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এক মুক্তিযোদ্ধার ধর্ষিতা স্ত্রীকে দেখতে সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালে আসেন। সেখান থেকে যশোরে ফিরে যাওয়ার পথে সকাল ১১টা ৪০ মিনিটের দিকে কলারোয়ায় বিএনপি’র অফিসের সামনে একটি যাত্রীবাহি বাস রাস্তার উপরে আড় করে দিয়ে তার গাড়ি বহরে হামলা চালানো হয়। হামলায় আওয়ামী লীগের ১ ডজন নেতা-কর্মী আহত হন। এঘটনায় দায়ের করা হামলা মামলায় ২০২১ সালের ৪ ফেব্রুয়ারি তালা-কলারোয়ার বিএনপি দলীয় সাবেক সংসদ সদস্য হাবিবুল ইসলাম হাবিবসহ ৫০ জন নেতা-কর্মীকে চার থেকে ১০ বছর মেয়াদে সাজা প্রদান করেন সাতক্ষীরার চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট হুমায়ুন কবির। এর মধ্যে নয়জন আসামী পলাতক রয়েছেন ও দুই জন মারা গেছেন। গত ১৪ জুন অস্ত্র ও বিস্ফোরক আইনের অপর দুটি মামলায় চার্জ গঠন করা হয়।

সম্পর্কিত পোস্ট

মতামত দিন